• শনিবার   ২১ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৭ ১৪২৯

  • || ১৮ শাওয়াল ১৪৪৩

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
রূপপুর মেটাবে বিদ্যুতের চাহিদা, দেবে লাভও দ্রব্যমূল্য নিয়ে ৩ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ৪ দফা প্রস্তাব পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিবেশবান্ধব: প্রধানমন্ত্রী খালেদাকে পদ্মায় ফেলতে আর ইউনূসকে চুবিয়ে তুলতে বললেন শেখ হাসিনা কক্সবাজার হবে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের রিফুয়েলিং পয়েন্ট কক্সবাজারে যত্রতত্র স্থাপনা নির্মাণ না করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে কউক’র নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুর টোল নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি আওয়ামী লীগ সরকার আছে বলেই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে- প্রধানমন্ত্রী ওপেনিংয়ে চতুর্থ সেরা জুটি গড়ে ফিরলেন জয়, তামিমের সেঞ্চুরি নিত্যপণ্যের দাম কেন চড়া, জানালেন প্রধানমন্ত্রী স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: শেখ হাসিনা দেশের মানুষের শেষ ভরসাস্থল শেখ হাসিনা বাঙালি জাতির নিরাপদ আশ্রয়স্থল শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ইতিহাসে মাইলফলক: রাষ্ট্রপতি চার দশকেরও বেশি সময় শেখ হাসিনার সফল নেতৃত্বে আ.লীগ উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি খাদ্য সাশ্রয় করুন: প্রধানমন্ত্রী সবাই স্বাধীনভাবে সরকারের সমালোচনা করতে পারে: প্রধানমন্ত্রী টাকা অপচয় করা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী ‌ঢাকায় বসে সমালোচনা না করে গ্রামে ঘুরে আসুন

‘তোমরা চলে গেলে ছেলে আমারে আবারো মারবো’

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১৭ আগস্ট ২০১৯  

বরগুনার বামনা উপজেলার ছোনবুনিয়া গ্রামের অশীতিপর বৃদ্ধ আব্দুল রশিদ হাওলাদার। একটি খুপড়ি ঘরে একাই বসবাস করছেন। কখনো খেতে পায় আবার কখনো না খেয়েই কাটাতে হয় তাকে। নিজের সব সম্পত্তি ছোট ছেলের নামে লিখে না দেওয়ায় প্রতিনিয়তই তার (ছোট ছেলের) নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন অশীতিপর বৃদ্ধ আব্দুল রশিদ হাওলাদার।

বরগুনার বামনা উপজেলার ছোনবুনিয়া গ্রামে তার বাড়ি। একটি খুপড়ি ঘরে একাই বসবাস করছেন। কখনো খেতে পায় আবার কখনো না খেয়েই কাটাতে হয় তাকে। 

স্ত্রী ও তাকে ছেড়ে ছোট ছেলের কাছে থাকেন। অথচ এক একর ৬৫ শতাংশ জমির মালিক তিনি। দুই ছেলে আর চার কন্যা সন্তানের জনক রশিদ হাওলাদার সবাইকে বিয়ে দিয়েছেন। যে যার মতোন কাজ কর্ম করে নিজেদের সংসার গুছিয়েছেন। 

নির্যাতিত বৃদ্ধ বাবা জানান, ছোটছেলের আলিশান রংকরা টিনসেট ঘরের পাশে একটি ঘুপরী ঘরে থাকি আমি। জমিজমা লিখে না দেওয়ায় প্রায় তিনমাস আগে পিটিয়ে পা ভেঙ্গে দিয়েছে ছোট ছেলে জাহাঙ্গীর হাওলাদার।  

ভাঙ্গা পা নিয়ে তিনি এখন শয্যাশায়ী। একদিকে চলার অক্ষমতা অন্য দিকে পেট ভরে দুমুঠো ভাত খেতে না পাওয়ায় প্রতিদিনই মৃত্যুর জন্য প্রহর গুনছেন ওই বৃদ্ধ। 

তিনি সাংবাদিকদের আরো বলেন, বাবারা তোমরা চলে গেলে আবারো মারবো, মুই তহন কি হরমু? তোমাগো পামু কই? মোরে এইহান দিয়া উদ্ধার কইরা লইয়া যাও। জাহাঙ্গীর মোরে মাইরা হালাইবে।

এ ব্যাপারে স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য মো. ফরিদ হোসেন বলেন, এই বৃদ্ধ তার বড় ছেলের কাছে যেতে চায় কিন্তু ছোট ছেলে তাকে জোড় করে এখানে আটকে রাখছে। 

জমি লিখে না দিলে এখান থেকে কোথাও যেতে পারবেনা বলে অনেক বার হুমকিও দিয়েছে। এখানে আটকে রেখে জমি লিখে নেওয়ার জন্য প্রতিদিন তাকে নির্যাতন করে।

প্রতিবেশী আ. জলিল জানায়, ছোট ছেলে বাবার পা ভেঙ্গে দেওয়ার পরে স্থানীয় শালিসী বসে। এতে সিদ্ধান্ত হয় বৃদ্ধ বাবার চিকিৎসা করানোর পরে জমি জমা নিয়ে ভাগ বাটোয়ারা হবে। অথচ ছোট ছেলে বাবার কোন চিকিৎসাই করায়নি। উল্টো তাকে মারধর করে আরো অসুস্থ্য করেছে।

বরগুনার আলো