• শুক্রবার   ০১ জুলাই ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১৭ ১৪২৯

  • || ৩০ জ্বিলকদ ১৪৪৩

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
পদ্মা সেতুতে নাশকতার চেষ্টা: আটক ১ সঞ্চয় বাড়ানোর পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা হচ্ছে নতুন মুদ্রানীতি সব ধরনের অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমাতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট পাস হচ্ছে আজ নির্মল রঞ্জন গুহের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক সায়মা ওয়াজেদের মমত্ববোধ রেল ক্রসিংয়ে ওভারপাস করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়কে সেতু-উড়াল সড়ক নির্মাণের নির্দেশ ব্যবসা বৃদ্ধিতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী তিন বাহিনীর সমন্বয়ে নিশ্চিত হবে পদ্মা সেতুর নিরাপত্তা চাকরির একমাত্র বিকল্প শিক্ষিত বেকারদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা পদ্মা সেতুতে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে স্বপ্নজয়ের পর অপার সম্ভাবনার হাতছানি পদ্মা সেতু: প্রধানমন্ত্রীকে এশিয়ার পাঁচ দেশের অভিনন্দন ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পের সুষ্ঠু বিকাশে কাজ করছে সরকার পদ্মা সেতুর সফলতায় প্রধানমন্ত্রীকে কুয়েতের রাষ্ট্রদূতের অভিনন্দন নতুন প্রজন্মকে প্রস্তত হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী আমরা বিজয়ী জাতি, মাথা উঁচু করে চলবো: প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

ধর্ষণের দায়ে মাদ্রাসা শিক্ষকের যাবজ্জীবন

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ৩০ নভেম্বর ২০২১  

বরগুনায় সপ্তম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে সাইফুল ইসলাম নামের এক মাদ্রাসা শিক্ষককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়াও এ মামলায় অভিযুক্ত সাইফুল ইসলামের ভাবি (বড় ভাইর স্ত্রী) রাশেদা বেগমকে বেকসুর খালাস প্রদান করা হয়েছে। দণ্ডিত সাইফুল ইসলাম বরগুনা সদর উপজেলার ফুলঝুরি ইউনিয়নের সাহেবের হাওলা গ্রামের মাওলানা মো. ইব্রাহীম খলিলের ছেলে।

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে এ রায় প্রদান করেন বরগুনার জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান। রায়ে দণ্ডিত শিক্ষক সাইফুল ইসলামকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও প্রদান করা হয়।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ২০ জানুয়ারি দুপুরে গাইড দেওয়ার কথা বলে ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীকে মাদ্রাসায় ডেকে নেন শিক্ষক সাইফুল। পরে মাদ্রাসার কাছেই নিজ বাড়ির দোতলায় নিয়ে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন তিনি। এতে ছাত্রীটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঘরে রেখেই পালিয়ে যান সাইফুল।

পরে স্থানীয়রা অসুস্থ অবস্থায় ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ সময় অবস্থার অবনতি হলে ওই দিন রাতেই উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় নির্যাতিত ওই ছাত্রীকে।
এ ঘটনার দিন বিকেলে শিক্ষক সাইফুল ইসলামকে প্রধান অভিযুক্ত করে দুই জনের বিরুদ্ধে বরগুনা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন নির্যাতিত ছাত্রীর বাবা। পরে ওই বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে পলাতক শিক্ষক সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

এ বিষয়ে আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম বলেন, এ রায়ের মাধ্যমে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা হয়েছে। আমরা এ রায়ে খুশি। এমন রায়ের জন্য মাধ্যমে ভবিষ্যতে এমন ন্যাক্কারজনক কাজ থেকে বিরত থাকবে খারাপ মানুষগুলো।

বরগুনার আলো