• সোমবার   ২৫ অক্টোবর ২০২১ ||

  • কার্তিক ৯ ১৪২৮

  • || ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
দেশের ভাবমূর্তি নষ্টকারীদের বিষয়ে সচেতন হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী মাঝে মধ্যে কিছু ঘটিয়ে দেশের ভাবমূর্তি নষ্টের অপচেষ্টা হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন পায়রা সেতুতে হাঁটতে পারলে ভালো লাগতো: প্রধানমন্ত্রী সিলেট-ঢাকা চার লেনের নির্মাণকাজের উদ্বোধন বাংলাদেশকে কেউ আর পিছিয়ে রাখতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী স্বপ্নের পায়রা সেতু উদ্বোধন ‘বাসযোগ্য গ্রহ থেকে অনেক অনেক দূরে রয়েছে বিশ্ব’ পায়রা সেতুর উদ্বোধন আজ, দক্ষিণাঞ্চলের আরেকটি স্বপ্নপূরণ নেতাকর্মীদের নজরদারি বাড়াতে বললেন শেখ হাসিনা কুমিল্লার ঘটনা দুঃখজনক, অপরাধীর বিচার হবে: প্রধানমন্ত্রী ‘দেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি পণ্য হবে ডিজিটাল ডিভাইস’ সরকারের ধারাবাহিকতা আছে বলেই উন্নয়ন সম্ভব হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী বিদেশে বিনিয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী পূর্বাচলে প্রদর্শনীকেন্দ্র উদ্বোধন করবেন আজ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রদায়িক অপশক্তির তৎপরতা প্রতিরোধের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘এমন বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে শিশুরা বড় হবে সুন্দর পরিবেশে’ একটা অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বাংলাদেশকে গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী আমাদের ছোট রাসেল সোনা: শেখ হাসিনা শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন

আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও বিএনপির গ্রহণযোগ্যতা এখন তলানিতে

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর ২০২১  

প্রায় ১৫ বছরের বেশি সময় রাষ্ট্র ক্ষমতার বাইরে বিএনপি। শুধু যে ক্ষমতার বাইরে তা নয়, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও বিএনপির গ্রহণযোগ্যতা এখন তলানিতে। বিশ্বের বৃহৎ জোটের কেউ কেউ এখন দলটিকে ঘৃণার চোখেও দেখে। 

পৃথিবীতে ক্রিয়াশীল যে শক্তিধর রাষ্ট্রগুলো রয়েছে তার কারো কাছেই বিএনপির গ্রহণযোগ্যতা নেই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বহু আগে থেকেই তারেককে একজন ভয়ংকর দুর্বৃত্ত মনে করে এবং সেই ধারনা থেকে এখনো সরে আসেনি। এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার আনুষ্ঠানিক নীতি এবং কৌশলে যেমন বলেছে, বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে আছে এবং বিএনপি জঙ্গিবাদকে লালন করছে। ঠিক তেমনি চীনও মনে করে যে, বিএনপির সঙ্গে এ মুহূর্তে সুসম্পর্কের কোনো প্রয়োজন নেই।

ইউরোপের দেশগুলো মনে করে যে, জঙ্গিবাদ এবং মৌলবাদের ব্যাপারে বিএনপির অবস্থান সুস্পষ্ট নয়। এখনো জামায়াতের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে আছে বিএনপি। আবার ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, যতদিন জামায়াতের সঙ্গে বিএনপি থাকবে এবং বিএনপির নেতৃত্বে তারেক জিয়া থাকবে, ততদিন বিএনপির সঙ্গে তারা কোনো সুসম্পর্কে যাবে না।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিএনপির এ একাকীত্বের শুরু হয়েছিল ২০০১ সালের পর থেকে। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় এসেছিল বিদেশিদের সহযোগিতায়। সেই সময় বিএনপির বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়া ভারতে গিয়েছিলেন এবং ভারতে গিয়ে গ্যাস বিক্রিসহ নানা বিষয়ে মুচলেকা দিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর বিএনপি একের পর এক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে। সর্বশেষ টাটার বাংলাদেশে বিনিয়োগের ব্যাপারে তারেক অবিশ্বাস্য রকমের চাঁদা দাবি করলে টাটা পিছু হটে যায়। এরপর ১০ ট্রাক অস্ত্রের ঘটনা এবং বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের উত্থান, সবকিছু মিলিয়ে ভারতের সঙ্গে বিএনপির অবিশ্বাস তৈরি হয় এবং এ অবিশ্বাসের ধারা এখনো বহাল রয়েছে। বিএনপিকে এখনো একটি গণতান্ত্রিক গ্রহণযোগ্য রাজনৈতিক দল হিসেবে মনে করেন না ভারত।

চীনের সঙ্গে এক সময় বিএনপির সুসম্পর্ক ছিল। রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপির সঙ্গে যতটা না সম্পর্ক ছিল, তার বেশি ছিল বিএনপির কয়েকজন নেতার সঙ্গে। এদের মধ্যে ছিলেন তরিকুল ইসলাম, সাদেক হোসেন খোকা, আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া। এদের চলে যাওয়ার পর নতুন যারা বিএনপিতে এসেছেন, তাদের সঙ্গে চীনের সেই সখ্যতা আর নেই। বরং চীন এখন বিএনপির চেয়ে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নেয়ার নীতিতেই বিশ্বাস করে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০০৭ সালে তারেক জিয়াকে ভিসা দিতে অস্বীকার করেছিল। সেই সময় তারেক জিয়াকে তৎকালীন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত গীতা পাসি একজন দুর্বৃত্ত হিসেবে অভিহিত করেছিলেন এবং আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী চক্রের সঙ্গে তার যোগাযোগের কথা বলেছিলেন। দেশটির সেই দৃষ্টিভঙ্গী এখনো পরিবর্তন হয়নি। বরং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বসে যেসব বিএনপি ও জামায়াতপন্থীরা বাংলাদেশ বিরোধী তৎপরতা চালাচ্ছে, তাদের মার্কিন প্রশাসন নজরদারির মধ্যে রেখেছে বলেও জানা যায়।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন সব সময়ই সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ ও উগ্র মৌলবাদের ঘোর বিরোধী। তাদের মতে, বিএনপি-জামায়াত অন্যান্য জঙ্গি দলগুলোকে মদদ দেয় ও পৃষ্ঠপোষকতা করে। ফলে বিএনপির প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোনো সহানুভূতি নেই। বরং এ জোটের অনেক নেতা বিএনপিকে ঘৃণাও করে।

এ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সক্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ দেশের কোনোটিই বিএনপির প্রতি আস্থাশীল নয়। আর বিএনপি যদি বড় ধরনের কোনো আন্দোলন করতে চায়, তাহলে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ছাড়া এটি সম্ভব নয় বলেও মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

বরগুনার আলো