• শুক্রবার   ০৩ ডিসেম্বর ২০২১ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৯ ১৪২৮

  • || ২৬ রবিউস সানি ১৪৪৩

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
প্রশিক্ষিত সামরিক বাহিনী গঠনে বিভিন্ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছি বাংলাদেশ আর পিছিয়ে যাবেনা, এগিয়ে যাবে : প্রধানমন্ত্রী যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সদাপ্রস্তুত পার্বত্য শান্তিচুক্তির ফলে দীর্ঘদিনের সংঘাতের অবসান ঘটে পার্বত্য শান্তিচুক্তি বিশ্বের ইতিহাসে বিরল ঘটনা: প্রধানমন্ত্রী ব্যবসায়ীদের দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ২৪ বছরে পার্বত্য শান্তি চুক্তি করোনা বাড়লে আবারও বন্ধ হবে স্কুল: প্রধানমন্ত্রী আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না: প্রধানমন্ত্রী গাড়ি ভাঙচুর-আগুন দিলেই ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল উদ্বোধন ও জয়িতা টাওয়ারের ভিত্তি স্থাপন সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে ঢাবি: প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘ বাংলাদেশকে অব্যাহত সমর্থন দেবে রাজস্ব বোর্ডকে সেবাধর্মী, জনবান্ধব ও করদাতাবান্ধব করেছে সরকার ষড়যন্ত্র থাকবে, তবু দেশ এগিয়ে যাবে: প্রধানমন্ত্রী বৈদেশিক বিনিয়োগে বাংলাদেশের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে: প্রধানমন্ত্রী অর্থনৈতিক অঞ্চলসমূহে ২৭ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব পেয়েছি বিনিয়োগ শীর্ষ সম্মেলন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বিজনেস সামিট বিনিয়োগ বাজার তৈরি করবে: প্রধানমন্ত্রী ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ডা. মিলনের আত্মত্যাগ নতুন গতি সঞ্চারিত করে’

কখনোই সংখ্যালঘুদের ভালো চোখে দেখেনি বিএনপি

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২১  

বিএনপিতে কখনোই সংখ্যালঘুদেরকে ভাল চোখে দেখা হয় না। এর অন্যতম উদাহরণ হলো গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। সংখ্যালঘু হওয়ায় বিএনপির সম্ভাব্য মহাসচিবের সংক্ষিপ্ত তালিকায় তার নাম নেই।

দলের বড় একটি অংশ মনে করে, এ মুহূর্তে বিএনপির রাজনীতিতে ক্লিন ইমেজের ব্যক্তিটি হল গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি যে বক্তব্য রাখছেন বা কথাবার্তা বলছেন সেগুলোই বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীদের প্রাণের কথা।

বিএনপির প্রতিটি ভুল সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বিরোধিতা করেছিলেন। সুচিন্তিত এবং সত্যিকারের রাজনৈতিক নেতাসুলভ পরামর্শ দেন সব সময়। ২০১৪ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করা বিএনপির ভুল সিদ্ধান্ত বলে দলের অনেকেই মনে করেন। সে সময় গয়েশ্বর নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য বিএনপিকে বলেছিলেন, কিন্তু হিন্দু হওয়ায় তার কথার মূল্যায়ন করেনি বিএনপি।

এরপর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দলের চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া নির্বাচনে অংশ নেয়ার বিরোধিতা করেন গয়েশ্বর। কিন্তু সে সময়ও তার কথার গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। বর্তমানে বিএনপির শীর্ষ নেতারা ঘুমিয়ে দিন পার করলেও গয়েশ্বর বলেন আন্দোলনের কথা। তাই দলে অনেকের চেয়েও যোগ্যতাসম্পন্ন নেতা হলেও শুধু জাতিতে হিন্দু হওয়ায় তার কথায় কেউ মূল্যায়ন করছে না।

তবে গয়েশ্বর চন্দ্রের যোগ্যতা নিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা অবগত রয়েছেন। তাহলে প্রশ্ন উঠতেই পারে, দলের মহাসচিব পদের সংক্ষিপ্ত তালিকায় গয়েশ্বর কেন উপেক্ষিত। তাকে মহাসচিব করার কোনই কী চিন্তা-ভাবনাই নেই বিএনপির নীতিনির্ধারকদের? 

তবে এর একটাই উত্তর, তিনি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করেন। আর বিএনপিতে কখনোই সংখ্যালঘুদেরকে ভাল চোখে দেখা হয় না।

বরগুনার আলো