• সোমবার   ২৪ জানুয়ারি ২০২২ ||

  • মাঘ ১১ ১৪২৮

  • || ১৯ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় সমৃদ্ধ দেশ গঠনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির করোনায় ভয়াবহ কিছু হবে না: অর্থমন্ত্রী শহীদ আসাদ গণতন্ত্রপ্রেমী মানুষের মাঝে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন গণতন্ত্রের ইতিহাসে শহীদ আসাদ দিবস একটি অবিস্মরণীয় দিন শহীদ আসাদ দিবস আজ ‘বাংলাদেশকে আর কেউ অবহেলা করতে পারবে না’ সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত এলে চুপ থাকবে না বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সংস্কৃতি গড়তে ডিসিদের প্রতি নির্দেশ ভয়-লোভের ঊর্ধ্বে থাকুন, ডিসিদের প্রধানমন্ত্রী ডিসিদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ২৪ দফা নির্দেশনা ‘শহিদ ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ভিক্ষা করবে আমি দেখতে চাই না’ ওমিক্রনে মৃত্যু বাড়ছে, সচেতন থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সেবা নিতে এসে মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হন: প্রধানমন্ত্রী তৃণমূলের মানুষের জীবনমান উন্নত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ইসির সক্ষমতা বাড়ানোর প্রস্তাব আওয়ামী লীগের সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠনে গুরুত্ব আরোপ রাষ্ট্রপতির ইসি গঠনে আইনের খসড়া অনুমোদন মন্ত্রিসভায় জঙ্গিবাদ নির্মূলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির নৌকায় ভোট দিয়েই রংপুর মঙ্গামুক্ত: প্রধানমন্ত্রী আর যেন কখনও মঙ্গা দেখা না দেয়: প্রধানমন্ত্রী

বোমা ফাটালেন শমসের মবিন চৌধুরী, বললেন বঙ্গবন্ধুর হত্যার পেছনে জিয়া

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ২১ ডিসেম্বর ২০২১  

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে পর্দার আড়াল থেকে কলকাঠি নেড়েছিলেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান- এই সত্য নিয়ে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরী।

সোমবার (২০ ডিসেম্বর) একটি বিদেশি গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

শমসের মবিন চৌধুরী বলেন, দেখুন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার সময় পেছন থেকে একটি সংঘবদ্ধ চক্র দাবার ঘুঁটির চাল চেলেছিল। যারা পরবর্তীতে রাষ্ট্রীয় সুবিধা নিয়েছে। আমরা সবাই জানি বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর খন্দকার মোশতাক মধ্যবর্তী সরকার গঠন করেন। আর সেই সরকারের সেনাপ্রধান করা হয় জিয়াউর রহমানকে। প্রকৃত সুবিধাভোগী হিসেবে খন্দকার মোশতাক ও জিয়াউর রহমানের নাম অগ্রভাগে থাকবে। একটা কথা মনে রাখা দরকার- যদি জিয়াউর রহমান খুব বেশি বিশ্বস্ত না হতেন তাহলে খন্দকার মোশতাক তাকে কখনোই সেনাপ্রধানের মতো পদে বসাতেন না। তাই পরিষ্কারভাবেই বোঝা যায়, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পেছন থেকে কলকাঠি নেড়েছিলেন মোশতাক ও জিয়া।

সাবেক এই বিএনপি নেতা বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনিদের রেহাই দেওয়ার জন্য দায়মুক্তি (ইনডেমনিটি) অধ্যাদেশ জারি করেছিল খন্দকার মোশতাক সরকার। পরবর্তীতে জিয়াউর রহমানও বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার না করে ইনডেমনিটি আইন পাশ করে হত্যাকারীদের আইনি সুরক্ষা দিয়েছিলেন। পঁচাত্তর পরবর্তী ২১ বছর ধরে বিভিন্ন সরকার বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের পুনর্বাসন করে গেছে।

সাবেক এই কূটনীতিক বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার পর সংবিধানের ৪ মূলনীতিকে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। দেশে সাম্প্রদায়িক রাজনীতির পুনর্প্রবর্তন করেছিলেন জিয়াউর রহমান। এই দেশকে আবার নব্য-পাকিস্তান বা পাকিস্তানের সঙ্গে একটি কনফেডারেশন করার পূর্ব পরিকল্পনা নিয়েই ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত করেছিল মোশতাক আর জিয়া। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পেছনে ছিলো জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র। এ হত্যাকাণ্ড শুধু রাজনৈতিক অঙ্গনে সীমাবদ্ধ ছিলো না। ক্যু, পাল্টা ক্যু’র নামে বিভিন্ন পর্যায়ের মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি ও নেতৃত্ব দানকারীদের উপর আঘাত হানা হয়েছিলো।

উল্লেখ্য, বিএনপির রাজনীতিতে শমসের মবিন চৌধুরীর উত্থানটা ছিলো বেশ নাটকীয়। তিনি ছিলেন একজন কূটনীতিক এবং সেনা অফিসার। বিএনপি-জামায়াতে ইসলামীর জোট সরকারের আমলে তিনি পররাষ্ট্র সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। একই সরকারের আমলে তাকে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতও নিয়োগ করা হয়। চাকরি থেকে অবসরে গিয়ে বিএনপিতে যোগ দেয়ার পর তিনি দ্রুত দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতায় পরিণত হন। পরবর্তীতে আদর্শগত সমস্যার কারণে বিএনপি ছেড়ে বিকল্প ধারায় যোগদান করেন তিনি।

বরগুনার আলো