• সোমবার   ০৪ জুলাই ২০২২ ||

  • আষাঢ় ২০ ১৪২৯

  • || ০৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৩

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
জাতির পিতার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা, মোনাজাত পদ্মা সেতুতে সন্তানদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সেলফি ‘পদ্মা সেতু ও রপ্তানি আয় জাতির সক্ষমতা প্রমাণ করছে’ টোল দিয়ে পদ্মা সেতুতে উঠলেন প্রধানমন্ত্রী, গাড়ি থামিয়ে উপভোগ করলেন সৌন্দর্য পদ্মা সেতু নির্মাণের সব কৃতিত্ব জনগণের: প্রধানমন্ত্রী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতায় দেশকে এগিয়ে নিতে পেরেছি পারিবারিক আদালত আইনের খসড়া অনুমোদন ঈদের আগে পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলছে না ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভোলেনি সরকার: প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুতে নাশকতার চেষ্টা: আটক ১ সঞ্চয় বাড়ানোর পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা হচ্ছে নতুন মুদ্রানীতি সব ধরনের অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমাতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট পাস হচ্ছে আজ নির্মল রঞ্জন গুহের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক সায়মা ওয়াজেদের মমত্ববোধ রেল ক্রসিংয়ে ওভারপাস করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়কে সেতু-উড়াল সড়ক নির্মাণের নির্দেশ ব্যবসা বৃদ্ধিতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী তিন বাহিনীর সমন্বয়ে নিশ্চিত হবে পদ্মা সেতুর নিরাপত্তা

নবী-রাসুলের মুজিজা কী ও কেন

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ২০ জুন ২০২২  

মুজিজা বা কারামত হলো নবি-রাসুল-অলিদের প্রতি আল্লাহ তাআলার একান্ত অনুগ্রহ। আল্লাহ তাআলা ইসলামের প্রয়োজনে তার ইচ্ছামাফিক এই ক্ষমতা নবী-রাসুল বা অলিদের মাধ্যমে প্রকাশ করেন। এটি ব্যক্তিবিশেষকে দেখানো বা ক্ষমতা জাহির করার কোনো বিষয় নয়। নবী-রাসুল থেকে প্রকাশিত অলৌকিক বিষয়াবলিকে মুজিজা বলা হয়। আর নবী-রাসুল ব্যতীত অন্যদের থেকে প্রকাশিত অলৌকিক বা আশ্চর্যজনক ঘটনাকে কারামত বলা হয়।

মুজিজা আরবি শব্দ। এর অর্থ অভিভূতকারী। বস্তুত অলৌকিক কোনো কাজের পারিভাষিক শব্দরূপে মুজিজা শব্দটি ব্যবহৃত হয়। মুজিজা হলো নবী-রাসুলের নিজস্ব দাবির সমর্থনে এমন অলৌকিক ও আশ্চর্য ঘটনা ঘটিয়ে দেখানো, যা নবী-রাসুল ব্যতীত অন্য কারও পক্ষে ঘটানো আদৌ সম্ভব নয়। নবী-রাসুলের বাইরে কামেল বুজুর্গদের মাধ্যমে অলৌকিক কার্য সম্পাদন হলে তাকে বলা হয় কারামাত।

মুজিজা মূলত নবী-রাসুলের সত্যতা প্রমাণের জন্য আল্লাহর সাক্ষ্য। বিষয়টি এভাবেও বলা যায়, যিনি নিজেকে আল্লাহর নবী দাবি করেন, তার সত্যতা প্রমাণ করাই মুজিজার উদ্দেশ্য। আল্লাহ তাআলা নবী ও রাসুলদের বিভিন্ন মোজেজা দান করেছেন। যেমন: মুসা (আ.)-এর লাঠি সাপ হয়ে যেত, ঈসা (আ.) মৃতকে জীবিত করতে পারতেন। হজরত সুলাইমান (আ.) বাতাসকে বশীকরণ করতে পারতেন। তিনি পাখি ও পিঁপড়ার ভাষাও বুঝতেন। জিনদের দিয়ে কাজ করাতেন।

বিশ্ব নবী হজরত মুহাম্মদও (সা.) ছিলেন অসংখ্য মোজেজার অধিকারী। মুহাম্মদ (সা.)-এর অলৌকিক ঘটনাসমূহ বলতে সেসব অতিপ্রাকৃত তথা সূত্রবিহীন ঘটনাবলিকেই বোঝানো হয়, যেগুলো নবীজির জীবদ্দশায় সংঘটিত হয়েছে। তবে নবীজির মোজেজার প্রকৃত সংখ্যা কত, তা সুনির্দিষ্টভাবে জানা যায়নি। এ প্রসঙ্গে ইমাম বায়হাকী বলেন, হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মুজিজা ছিল এক হাজার। অন্যদিকে ইমাম নববী মুহাম্মাদের মতে, হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মুজিজা হলো ১ হাজার ২০০। আবার অনেক মনীষী বলেন, হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মুজিজা ছিল ৩ হাজার।

বর্তমানে কারো পক্ষে মুজিজা প্রদর্শন করা সম্ভব নয়। কেউ আশ্চর্যজনক কিছু করলে বা করে দেখালে সেটা হবে তার কারামত। কারণ, মুজিজা নবী-রাসুলদের সঙ্গে সম্পর্কিত। যেহেতু দুনিয়ায় নবী আগমনের ধারা বন্ধ হয়ে গেছে, তাই মুজিজাও বন্ধ হয়ে গেছে।

বরগুনার আলো