• মঙ্গলবার ২৩ এপ্রিল ২০২৪ ||

  • বৈশাখ ১০ ১৪৩১

  • || ১৩ শাওয়াল ১৪৪৫

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাতার আমিরের বৈঠক ঢাকা সফরে কাতারের আমির, হতে পারে ১১ চুক্তি-সমঝোতা জলবায়ু ইস্যুতে দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচি নিয়েছে বাংলাদেশ দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ সর্বদা প্রস্তুত : প্রধানমন্ত্রী দেশীয় খেলাকে সমান সুযোগ দিন: প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলার মধ্য দিয়ে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে: রাষ্ট্রপতি শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলা গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী বিএনপির বিরুদ্ধে কোনো রাজনৈতিক মামলা নেই: প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পশুপালন ও মাংস প্রক্রিয়াকরণের তাগিদ জাতির পিতা বেঁচে থাকলে বহু আগেই বাংলাদেশ আরও উন্নত হতো মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার প্রতি নজর রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী আজ প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ উদ্বোধন করবেন মন্ত্রী-এমপিদের প্রভাব না খাটানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দলের নেতাদের নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানায় শেখ হাসিনা মুজিবনগর দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা বর্তমান প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস জানতে পারবে মুজিবনগর দিবস বাঙালির ইতিহাসে অবিস্মরণীয় দিন: প্রধানমন্ত্রী ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ নতুন বছর মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রেরণা জোগাবে : প্রধানমন্ত্রী

৬০০ কোটি টাকা জরিমানা,১০ বছরের দণ্ড

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১৩ নভেম্বর ২০১৯  

অর্থ পাচারের অভিযোগে ম্যাক্সিম ফাইনান্স অ্যান্ড কমার্স মাল্টিপারপাস সোসাইটির চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ২১ জনকে ৬০০ কোটি টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। পাশাপাশি প্রত্যেককে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১ এর বিচারক সৈয়দা হোসনে আরা মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।

রায় ঘোষণার সময় ম্যাক্সিম ফাইনান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মাদ হাবিবুর রহমান এবং পরিচালক মেহেদী হাসান মোজাফফার, ইমতিয়াজ হোসেন ও এই এম আমিরুল ইসলাম হাজির ছিলেন। পরে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়। বাকি ১৭ জন পলাতক রয়েছেন।

রায়ে আদালত বলেছেন, অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৩০০ কোটি টাকার দ্বিগুণ ৬০০কোটি টাকা জরিমানা করা হলো। প্রত্যেক আসামিকে ২৮ কোটি টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হলো। এই টাকা পাবে রাষ্ট্র।

মামলার কাগজপত্রের তথ্য বলছে, ম্যাক্সিম ফাইনান্স অ্যান্ড কমার্স মাল্টিপারপাস সোসাইটি ব্যবসার নামে অতি মুনাফার লোভ দেখিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে বিভিন্ন শাখার মাধ্যমে ৩০৪ কোটি ১০ লাখ ৫৩ হাজার ৬০৪ টাকা হাতিয়ে নেয়। এই টাকার উৎস গোপন করে ম্যাক্সিম গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ দেখায়, যা অর্থপাচারের অপরাধ।

২০০৫ সালের ২৬ এপ্রিল ম্যাক্সিম মাল্টিপারপাস সোসাইটির কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথমে সমিতির কার্যক্রম ছিল রমনা, মতিঝিল ও খিলগাঁও এলাকায়। ২০০৭ সালে ঢাকা জেলায় কার্যক্রম শুরু করে। ম্যাক্সিম ফাইনান্স ১১৩টি শাখার মাধ্যমে সমবায় অধিদপ্তরের অনুমোদিত শাখার সংখ্যা ২৫টি। আর অননুমোদিত শাখার সংখ্যা ৯৮টি।

এ ঘটনায় ২০১৪ সালের ১৯ মে দুদক মামলা করে।

দণ্ডিত ২১ আসামি

ম্যাক্সিম ফাইনান্সের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মফিজুল হক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান,এবং পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান, খায়রুল বাশার, আবদুল হান্নান সরকার, সৈয়দ শরিফুল ইসলাম, ওলিয়ার রহমান, ফজলুর রহমান, আসাদুজ্জামান, সোলাইমান সরোয়ার, হারুন অর রশীদ, শেখ আবদুল্লাহ আল মেহেদী, সৈয়দ জাহিদুল ইসলাম, মনোয়ার হোসেন, এম এ সাদী, আসলাম হোসাইন, মেহেদী হাসান মোজাফফার, ইমতিয়াজ হোসেন, মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান ও এইচ এম আমিরুল ইসলাম।

বরগুনার আলো