• বুধবার ২৯ মে ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৫ ১৪৩১

  • || ২০ জ্বিলকদ ১৪৪৫

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
শান্তিরক্ষা-শান্তি বিনির্মাণ প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলাদেশ বিশ্ব শান্তি রক্ষায় এক অনন্য নাম : রাষ্ট্রপতি রাত ২টা পর্যন্ত নিজেই দুর্যোগ মনিটর করেছেন প্রধানমন্ত্রী রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ দ্রুত মেরামতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বৃহস্পতিবার পটুয়াখালী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় যাবেন শেখ হাসিনা ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার অগ্রযাত্রায় মার্কিন ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর জীবনীভিত্তিক ডকুমেন্টারি ‘কলকাতায় মুজিব’ অবলোকন ঢাকাবাসীকে সুন্দর জীবন উপহার দিতে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ঘূর্ণিঝড় রেমাল : ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারি ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়: প্রধানমন্ত্রী সকালেই প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেবে রেমাল, আছড়ে পড়বে মধ্যরাতে ঘূর্ণিঝড় রেমাল : পায়রা ও মোংলা বন্দরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত ঢাকায় কোনো বস্তি থাকবে না, দিনমজুররাও ফ্ল্যাটে থাকবে অগ্নিসংযোগকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি বঙ্গবাজারে বিপণী বিতানসহ চারটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন নজরুলের বলিষ্ঠ লেখনী মানুষকে মুক্তি সংগ্রামে উদ্দীপ্ত করেছে জোটের শরিক দলগুলোকে সংগঠিত ও জনপ্রিয় করতে নির্দেশ সন্ধ্যায় ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে রেমাল বঙ্গবাজার বিপনী বিতানসহ ৪ প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আইএমএফের ঋণের বাকি অর্থ ছাড়ে বাধা নেই: গভর্নর

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১৬ এপ্রিল ২০২৪  

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রহমান তালুকদার বলেছেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ১০টি শর্তের মধ্যে ৯টিই পূরণ করেছে বাংলাদেশ। এতে ঋণের বাকি অর্থ ছাড়ে কোনো বাধা নেই। সোমবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আইএমএফের বসন্তকালীন বৈঠকের প্রথম দিন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিছেন তিনি।

আইএমএফের বসন্তকালীন বৈঠকের প্রথম দিন শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রহমান তালুকদার জানান, তৃতীয় কিস্তির ঋণের জন্য দেয়া ৯টি শর্তই পূরণ করেছে বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, আইএমএফের দেয়া ১০ শর্তের ৯টিই পূরণ করেছে বাংলাদেশ। বাকি ছিল রিজার্ভ। সেটির উন্নয়নেও কাজ চলছে। তাই তৃতীয় কিস্তির ঋণ ছাড়ে কোনো সমস্যা হবে না।

এদিকে মহামারি করোনা বা পরাশক্তি দেশগুলোর স্বার্থের দ্বন্দ্বে যে যুদ্ধ তার কোনো কিছুতে নেই বাংলাদেশসহ তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো। তবে বিশ্বায়নের যুগে এসব হানাহানির শিকার হতে হচ্ছে নিম্নআয়ের দেশগুলোকেই। মহামারি ও যুদ্ধের অজুহাতে গত দুই বছরে বেড়েছে জিনিসপত্রের দাম।

এদিকে প্রত্যাশা রয়েছে আসছে বছরগুলোতে চাঙ্গা হবে বিশ্ব অর্থনীতি। এ ক্ষেত্রে শঙ্কা তৈরি করেছে পরিসর বৃদ্ধি হওয়া নয়া যুদ্ধ পরিস্থিতি। এমন অবস্থায় আইএমএফের বসন্তকালীন বৈঠকে সংস্থাটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর বলেছেন, শান্তি ও সংঘাত এক সঙ্গে চলে না। গুরুত্ব দেন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়।

আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা বলেন, বিশ্ব পরিস্থিতি ধীরে ধীরে আরো কঠিন হচ্ছে। শান্তির আহ্বান ও যুদ্ধের দামামা একসঙ্গে চলতে পারে না। আইন সবাইকে মানতে হবে। পরিবেশের ভারসাম্য ঠিক রাখতে কার্বন নিঃসরণ ও প্লাস্টিক ব্যবহার কমিয়ে আনতে হবে।

বৈশ্বিক নানা সংকটে চাপে পড়ে বাংলাদেশ দ্বারস্থ হয়েছিল আইএমএফের। রিজার্ভ সহায়তা দিতে সে সময় সংস্থাটি ১০ দফা শর্ত জুড়ে দেয় বাংলাদেশকে।

এদিকে তৃতীয় কিস্তির ঋণ ছাড়ের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আগামী সপ্তাহেই বাংলাদেশ সফরে আইএমএফ প্রতিনিধি দল আসবে বলেও জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর।

বরগুনার আলো