• শুক্রবার   ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ২১ ১৪২৯

  • || ১১ রজব ১৪৪৪

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে আসিনি: প্রধানমন্ত্রী সবাইকে হিসাব করে চলার অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে কৃষি উন্নয়নের বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়া শিক্ষায় বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী জনস্বাস্থ্য নিশ্চিতে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের বিকল্প নেই জনগণকে বিশ্বাস করি, তারা যদি চায় আমরা থাকবো: প্রধানমন্ত্রী ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে ভাষা-সাহিত্য চর্চাও ডিজিটাল করার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ মানহীন শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত বেকার বাড়ছে: রাষ্ট্রপতি মুসলিম উম্মাহকে ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান দেশের ব্যাপক উন্নয়ন বিবেচনায় নিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকলেই মানুষের উন্নতি হয়: প্রধানমন্ত্রী আমি জোর করে দেশে ফিরেছিলাম, আ.লীগ পালায় না: শেখ হাসিনা আজ ১১ প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ১-৭ মার্চ মোবাইলে কল করলেই শোনা যাবে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ সন্ত্রাস রুখে দিতে প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখে যাচ্ছে পুলিশ সারদায় কুচকাওয়াজে প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন বাংলাদেশ পুলিশ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করছে

কারিগরি ও নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার ধরন পরিবর্তন নয়

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১৩ নভেম্বর ২০২২  

নারীদের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করে সহশিক্ষায় পরিবর্তন বা রূপান্তর করা যাবে না। একইভাবে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করে সাধারণ শিক্ষাধারায় পরিবর্তন, বা সাধারণ শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না।

সম্প্রতি চূড়ান্ত করা ২০২২ সালের ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক) স্থাপন, পাঠদান ও অ্যাকাডেমিক স্বীকৃতি প্রদান নীতিমালা’য় এমন বিধিবিধান যুক্ত করা হয়েছে। আর বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করার ক্ষেত্রে ২০০৯ সালে জারি করা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আবেদন করার বিষয়টি সংযুক্ত করা হয়েছে নতুন নীতিমালায়।

নতুন নীতিমালার ৫.৩ ধারায় বলা হয়, ‘প্রতিষ্ঠানের ধরন রূপান্তর: বালিকা/নারীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠাকে সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ধরন পরিবর্তন/রূপান্তর করা যাবে না। বালক বিদ্যালয়/মহাবিদ্যালয়কে সহশিক্ষায় রূপান্তর করা যাবে।’

নীতিমালার ৫.৪ ধারায় বলা হয়, ‘কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সাধারণ শিক্ষায় পরিবর্তন/রূপান্তর করা যাবে না এবং সাধারণ শিক্ষার কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না।’

এ বিষয়ে আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার বলেন, ‘নারী শিক্ষার প্রতিষ্ঠান ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করার ক্ষেত্রে শর্ত শিথিল রয়েছে। এই সুযোগ নেওয়ার জন্য অনেকে বালিকা বিদ্যালয় করে সহশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করে। আবার শর্ত শিথিলের সুযোগ নিয়ে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করে সাধারণ ধারায় রূপান্তর করে। এটি বন্ধ করতে নতুন নীতিমালায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ধরন ও শিক্ষাধারা পরিবর্তন না করার বিধিবিধান যুক্ত করা হয়। এটি ভালো উদ্যোগ।’

২০২২ সালের নতুন নীতিমালায় বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, পাঠদান অনুমোদন ও অ্যাকাডেমিক স্বীকৃতির অনুমোদন দেওয়ার ক্ষমতা শিক্ষা বোর্ডকে দেওয়া হলেও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নামে প্রতিষ্ঠান করার ক্ষেত্রে তা দেওয়া হয়নি। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান করতে সরাসরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করতে বলা হলেও বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্য, জাতীয় চার নেতা, মুক্তিযুদ্ধের ৭ বীরশ্রেষ্ঠ, অমর একুশের ভাষা শহীদ, সরকার বিবেচিত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করতে হলে আবেদন করতে হবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে। এরপর মন্ত্রণালয় সেটি যাচাই-বাছাই করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুমোদনের জন্য পেশ করবে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর এসব ব্যক্তির নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করা যাবে। বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নামে নামকরণ করতে কোনও অর্থ জমা দিতে হবে না।

মন্ত্রণালয় জানায়, দেশের বিভিন্ন জায়গায় বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করার প্রতিযোগিতা শুরু হলে ২০০৯ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক আদেশ জারি করে। ওই আদেশে বলা হয়েছিল— বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্য, জাতীয় চার নেতা, মুক্তিযুদ্ধের ৭ বীরশ্রেষ্ঠ, অমর একুশের ভাষা শহীদ, সরকার বিবেচিত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় আবেদন যাচাই-বাছাই করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুমোদনের জন্য পেশ করবে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নামে নামকরণ করতে পারবে। এই বিধিবিধানটি নতুন নীতিমালায় যুক্ত করা হয়েছে।

আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্য, জাতীয় চার নেতা, মুক্তিযুদ্ধের সাত বীরশ্রেষ্ঠ, অমর একুশের ভাষা শহীদ, সরকার বিবেচিত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নামে প্রতিষ্ঠান করতে হলে মন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে হবে।’

প্রসঙ্গত, গত ৩০ অক্টোবর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক) স্থাপন, পাঠদান ও অ্যাকাডেমিক স্বীকৃতি প্রদান নীতিমালা-২০২২ জারি করে। নতুন নীতিমালায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, পাঠদান ও অ্যাকাডেমিক স্বীকৃতির দায়িত্ব দেওয়া হয় শিক্ষা বোর্ডগুলোকে।

বরগুনার আলো