• বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ১১ ১৪৩১

  • || ১৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
ড. ইউনূস কর ফাঁকি দিয়েছেন, তা আদালতে প্রমাণিত: প্রধানমন্ত্রী ‘শেখ হাসিনা দেশ বিক্রি করে না’ অভিন্ন নদীর টেকসই ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার পথ নিয়ে আলোচনা করেছি সরকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে বহুমাত্রিক করেছে: প্রধানমন্ত্রী অনেক হিরার টুকরা ছড়িয়ে আছে, কুড়িয়ে নিতে হবে বারবার ভস্ম থেকে জেগে উঠেছে আওয়ামী লীগ: শেখ হাসিনা টেকসই ভবিষ্যত নিশ্চিত করতে যৌথ দৃষ্টিভঙ্গিতে সম্মত: প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্র রক্ষায় আ. লীগ নেতাকর্মীদের সর্বদা প্রস্তুত থাকার নির্দেশ আওয়ামী লীগের প্লাটিনাম জয়ন্তীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা আওয়ামী লীগের প্লাটিনাম জয়ন্তী আজ ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ১০ চুক্তি সই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী আগামীকাল দিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে শেখ হাসিনাকে রাজকীয় সংবর্ধনা হাসিনা-মোদী বৈঠক আজ সংলাপের মাধ্যমে বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা দূর করার আহ্বান বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশগুলোর বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দেয় বঙ্গবন্ধুর চার নীতি এবং বাংলাদেশের চার স্তম্ভ সুফিয়া কামালের সাহিত্যকর্ম নতুন প্রজন্মের প্রেরণার উৎস শুক্রবার ভারত যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রচারণার নামে শোডাউন, স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীকে অর্থদণ্ড

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩  

বরগুনা-১ আসনে আমতলী উপজেলায় প্রচারণার নামে মোটরসাইকেল শোডাউন করায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর এক কর্মীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় আমতলী উপজেলার খুড়িয়ার খেয়াঘাট এলাকায় এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন আমতলী উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আবু জাহের।

অর্থদণ্ড পাওয়া স্বতন্ত্র প্রার্থীর ওই কর্মীর নাম মো. হারুন অর রশিদ। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিত স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম সরোয়ার ফোরকানের সক্রিয় কর্মী বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

আমতলী উপজেলা সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যায় বরগুনা-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম সরোয়ার ফোরকানের কেঁচি মার্কার প্রচারণার জন্য একটি মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা বের করেন মো. হারুন অর রশিদ। এতে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়। তাই ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আমতলী উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আবু জাহের ওই সমর্থক মো. হারুন অর রশিদকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

এ বিষয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক আব্দুল্লাহ আবু জাহের বলেন, ‘আমরা নির্বাচনী আচরণবিধি বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে রয়েছি। কোনো প্রার্থীকে ছাড় দিচ্ছি না। যারাই নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন তাদেরই আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।’

বরগুনার আলো