• মঙ্গলবার   ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ||

  • আশ্বিন ১৩ ১৪২৮

  • || ১৯ সফর ১৪৪৩

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
৫ মামলায় খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ বাড়লো এসএসসি-এইচএসসির সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন: শিক্ষামন্ত্রী বিশ্বে দারিদ্র্য বিমোচনে শেখ হাসিনা রোল মডেল: ওবায়দুল কাদের সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ফের পরিবর্তন, শুরু ৫ নভেম্বর ১৪ নভেম্বর এসএসসি পরীক্ষা, এইচএসসি ২ ডিসেম্বর জাতিসংঘে শেখ হাসিনার বক্তব্য সারাবিশ্বে প্রশংসিত: ওবায়দুল কাদের নভেম্বরে এসএসসি ও ডিসেম্বরে এইচএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর বাংলায় ভাষণ স্মরণে ই-পোস্টার জরুরি ভিত্তিতে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন জোরদারের দাবি প্রধানমন্ত্রীর করোনার টিকাকে ‘বৈশ্বিক জনস্বার্থ সামগ্রী’ ঘোষণার আহ্বান কুয়েত ও সুইডেনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শেখ হাসিনার বৈঠক দেশের বিভিন্ন প্রতিশ্রুতিশীল খাতে মার্কিন বিনিয়োগের আহ্বান এসডিজি’র উন্নতিতে জাতিসংঘে পুরস্কৃত বাংলাদেশ নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী টিকা নেওয়ার পর খোলার সিদ্ধান্ত নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয় নিতে পারবে বঙ্গবন্ধু ভাষণের দিনকে এবারও ‘বাংলাদেশি ইমিগ্রান্ট ডে’ ঘোষণা ফিনল্যান্ডে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলোর অংশগ্রহণ চান প্রধানমন্ত্রী `লাশের নামে একটা বাক্সো সাজিয়ে-গুজিয়ে আনা হয়েছিল` টকশোতে কে কী বলল ওসব নিয়ে দেশ পরিচালনা করি না: প্রধানমন্ত্রী

এক সময় নিজেই রক্তদান করতাম: প্রধানমন্ত্রী

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১ আগস্ট ২০২১  

রোগীর জীবন বাঁচাতে এক সময় নিজেই রক্তদান করতেন। তবে বয়সের কারণে এখন আর পারেন না  জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এতে নিজের কোনো ক্ষতি হয় না। বরং উপকার হয়।

রোববার (০১ আগস্ট) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে কৃষক লীগ আয়োজিত ‘স্বেচ্ছায় রক্ত ও প্লাজমা দান কর্মসূচি’র উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন তিনি।

সবাইকে স্বেচ্ছায় রক্তদানের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এক সময় আমরা সবাই মিলেই রক্তদান করতাম। তবে হ্যাঁ বয়সের ভারে এখন আর দিতে পারি না। কারণ ৫৬ বছর বয়স হয়ে গেলে তার রক্ত আর নেয় না। তার আগে ১৯৮১ সালে বাংলাদেশে ফিরে আসার পরে এ রক্তদান কর্মসূচি যখন শুরু করি, প্রতি বছর রক্তদান করেছি।

বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘রক্ত যখন দিতে শিখেছি, রক্ত আরও দিবো, তবু এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ। ’ রক্ত কিন্তু তিনি নিজেও দিয়ে গেছেন। যখন এদেশের মানুষকে মুক্ত করেছেন, তখনই যেন যারা আমাদের স্বাধীনতার বিরোধী ছিল বা আমাদের বিজয় চায়নি, তারাই কিন্তু তাকে হত্যা করে গেছে। তার রক্তের ঋণ আমাদের শোধ করতে হবে। কাজেই আমরা অন্তত এ রক্তদানের মাধ্যমে একটি মুমূর্ষ রোগী যদি বাঁচাতে পারি, সেটাই তো সব থেকে বড় কথা যে মানব কল্যাণে আপনি দান করছেন। আর এতে নিজের কোনো ক্ষতি হয় না, বরং উপকার হয়।

কৃষক লীগের রক্তদান কর্মসূচিতে রক্তদান করতে আসা সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে এ কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।


আসন্ন ‘জাতীয় শোক দিবস’ উপলক্ষে ধানমন্ডির জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর সংলগ্ন এলাকায় বাংলাদেশ কৃষক লীগ আয়োজিত ‘স্বেচ্ছায় রক্ত ও প্লাজমা দান কর্মসূচি’ উদ্বোধন করেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা।

এ সময় ধানমন্ডি ৩২ নম্বর প্রান্তের অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ. ফ. ম. বাহাউদ্দিন নাছিম, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, কৃষক লীগ সভাপতি সমীর চন্দ্র চন্দ, সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতি।

বরগুনার আলো