• শুক্রবার   ০১ জুলাই ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১৭ ১৪২৯

  • || ৩০ জ্বিলকদ ১৪৪৩

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
পদ্মা সেতুতে নাশকতার চেষ্টা: আটক ১ সঞ্চয় বাড়ানোর পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা হচ্ছে নতুন মুদ্রানীতি সব ধরনের অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমাতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট পাস হচ্ছে আজ নির্মল রঞ্জন গুহের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক সায়মা ওয়াজেদের মমত্ববোধ রেল ক্রসিংয়ে ওভারপাস করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়কে সেতু-উড়াল সড়ক নির্মাণের নির্দেশ ব্যবসা বৃদ্ধিতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী তিন বাহিনীর সমন্বয়ে নিশ্চিত হবে পদ্মা সেতুর নিরাপত্তা চাকরির একমাত্র বিকল্প শিক্ষিত বেকারদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা পদ্মা সেতুতে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে স্বপ্নজয়ের পর অপার সম্ভাবনার হাতছানি পদ্মা সেতু: প্রধানমন্ত্রীকে এশিয়ার পাঁচ দেশের অভিনন্দন ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পের সুষ্ঠু বিকাশে কাজ করছে সরকার পদ্মা সেতুর সফলতায় প্রধানমন্ত্রীকে কুয়েতের রাষ্ট্রদূতের অভিনন্দন নতুন প্রজন্মকে প্রস্তত হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী আমরা বিজয়ী জাতি, মাথা উঁচু করে চলবো: প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

যে তিন শ্রেণী বাড়াচ্ছে ডলারের দাম

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১৯ মে ২০২২  

স্থিতিশীল বাজারে হুট করেই বেড়ে যায় ডলারের দাম। বাংলাদেশ ব্যাংক অন্যান্য ব্যাংকের কাছে এক মার্কিন ডলারের বিনিময়ে ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা দিচ্ছে। তবে অন্যান্য সব ক্ষেত্রেই ডলারের দাম অনেক বেড়ে গিয়েছে। আমদানিকারকদের বেশি দামে এলসি খুলতে হচ্ছে। আর বিদেশ ভ্রমণের জন্য সাধারণ জনগণকে এক ডলার কিনতে ১০০ টাকার ওপরে ব্যয় করতে হচ্ছে। আর এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী ডলার আটকে রেখে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

সমীক্ষায় দেখা যায়, ডলারের দাম বাড়ার খবর পেয়ে জনসাধারণ হুমড়ি খেয়ে অযথা ডলার কেনা শুরু করে। কোনো কারণ ছাড়া। এর ফলে মুনাফা লোভীরা ডলারের দাম আরো বাড়িয়ে দেয়।

এমন ঘটনা এর আগেও ঘটেছিলো। গত বছরের ১৭ নভেম্বর রাত ৮টার দিকে সকল খুচরা ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ বিক্রি বন্ধ করে দিয়ে উল্টো অধিক লবণ ক্রয় করা শুরু করে। তারা ধারণা করেছিলো হয়তো পেঁয়াজের মতো লবণের দামও আকাশচুম্বী হতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে লবণ মজুদ রেখে দিয়েছিলো সরকার।

ঠিক একইভাবে দেশের বাজারে ডলারের দাম বৃদ্ধি করে দিয়েছে একটি চক্র। সাধারণ মানুষ এবারো না বুঝে বেশি দামে ডলার ক্রয় করা শুরু করে। যার ফলে একটি সিন্ডিকেট অযাচিত ভাবে ডলারের দাম বাড়িয়ে দেয়।

গবেষণায় দেখা যায়, মুদ্রা বাজার নষ্ট করছে মূলত দুই শ্রেণীর মানুষ

প্রথমত যারা চায় বাজার অস্থিতিশীল করে সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলতে। তবে তারা আর সফল হতে পারছে না। কারণ ইতিমধ্যে দেশের প্রতিটি ব্যাংক ৮৭ টাকা ৫০ পয়সায় এক ডলার দিচ্ছে।

দ্বিতীয়ত অধিক মুনাফা লাভের আশায় কিছু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। তবে তারা সফল হবে না, কারণ দেশের মানুষ ব্যাংক থেকে সরাসরি এখন ডলার পারছেন। ফলে অতিরিক্ত মুনাফালোভী ডলার ব্যবসায়ীরা ঠিকই ধরা খেলেন।

অপর আরেক ধরণের মানুষের কথাও ভুললে চলবে না , তারা হল সাধারণ ভোক্তা । যারা দাম বেড়ে যাবার ভয়ে হুট করেই অনেক বেশি পরিমাণে ডলার কেনা শুরু করে দিয়েছেন। যার ফলে বাজারও প্রভাবিত হয়েছে যোগানের তুলনায় চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে অনেক। ফলে চক্রান্তকারীরা দাম বাড়ানোর সুযোগ পেয়ে যাচ্ছে। তবে আশার কথা হচ্ছে মানুষ বুঝতে শিখে গিয়েছে কি করে এই মুনাফাখোরদের শাস্তি দিতে হয় । আবার সরকারও নিশ্চিত করছে উপযুক্ত ডলারের দাম।

বরগুনার আলো