• রোববার   ২৭ নভেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১২ ১৪২৯

  • || ০১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
যারা উন্নয়ন দেখে না, তারা চাইলে চোখের ডাক্তার দেখাতে পারে- প্রধানমন্ত্রী অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সক্ষম হয়েছি: প্রধানমন্ত্রী যোগাযোগ সম্প্রসারণে বাংলাদেশের সহযোগিতা চায় আমিরাত আ.লীগ স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়: প্রধানমন্ত্রী সচিব সভায় ১০ নির্দেশনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী ব্যাংকে টাকা না থাকার গুজবে চোরেরা সুযোগ নেবে: প্রধানমন্ত্রী ‘রিজার্ভ নিয়ে সমস্যা নেই, সব ব্যাংকে টাকা আছে’ ‘যা চাইবেন তার চেয়ে বেশি দেবো, ওয়াদা দেন নৌকায় ভোট দেবেন’ রক্ত ও হত্যা ছাড়া বিএনপি কিছু দিতে পারেনি : প্রধানমন্ত্রী বিমানবাহিনী এখন অনেক বেশি শক্তিশালী, আধুনিক ও চৌকস: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের অর্থনীতি এখনও গতিশীল, নিরাপদ: প্রধানমন্ত্রী যশোরে বিমান বাহিনীর কুচকাওয়াজে প্রধানমন্ত্রী আমাদের ছেলে-মেয়েরা একদিন বিশ্বকাপ খেলবে: প্রধানমন্ত্রী দেশে শ্রমঘন ও স্বল্প পুঁজির এসএমই উদ্যোক্তা তৈরি করা প্রয়োজন রোহিঙ্গারা এখন বাংলাদেশের জন্য ভারী বোঝা: প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপে আমাদের টিম নেই, এটা আসলেই কষ্ট দেয়: প্রধানমন্ত্রী ভোটের বার্তা নিয়ে মাঠে শেখ হাসিনা ৪৮২৬ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন প্রকৃতির ক্ষতি করে প্রকল্প নেওয়া যাবে না ক্রীড়াঙ্গনকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মেলে ধরতে সক্ষম হয়েছি

মানবতাবিরোধী অপরাধ: নেত্রকোনার খলিলুরের মৃত্যুদণ্ডের রায়

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২  

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নেত্রকোনার দুর্গাপুরের খলিলুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার আসামি খলিলুর এখনও পলাতক। তবে অপর চার আসামি- আজিজুর রহমান (৬৫), আশক আলী (৮২) ও মো. শাহনেওয়াজ (৮৮) ও খলিলুর রহমান (৭২) মামলা বিচারাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

মামলাটিতে প্রসিকিউশন পক্ষে শুনানিতে ছিলেন প্রসিকিউটর রানা দাস গুপ্ত ও রেজিয়া সুলতানা চমন। অপরদিকে গ্রেফতার তিন আসামির পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মাসুদ রানা ও পলাতক আসামির পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী গাজী এমএইচ তামিম।

এর আগে ২০১৭ সালের ৩০ জানুয়ারি এ মামলার তদন্ত শেষ হয়। শুরুর দিকে এ মামলায় আসামি ছিল পাঁচ জন। এরমধ্যে এক আসামি রমজান আলী ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। বাকি চার আসামির মধ্যে বিচার চলাকালে তিন আসামির মৃত্যু হয়।

এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে দুর্গাপূর ও কলমাকান্দা থানা এলাকায় অবৈধ আটক, নির্যাতন, অপহরণ, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগে ধ্বংস করা, ধর্ষণের চেষ্টা, ধর্ষণ, হত্যা ও গণহত্যার অভিযোগ আনা হয়।

এর মধ্যে এক অভিযোগে ২২ জনকে হত্যা, একজনকে ধর্ষণ, একজনকে ধর্ষণের চেষ্টা, অপহৃত চার জনের মধ্যে দুই জনকে ক্যাম্পে নির্যাতন, ১৪-১৫টি বাড়িতে লুটপাট এবং সাতটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

আসামিদের মধ্যে খলিলুর রহমান ইসলামী ছাত্র সংঘের সদস্য ছিলেন। যুদ্ধের সময় রাজাকার বাহিনীতে যোগ দেন। পরে চন্ডিগড় ইউনিয়নে আল বদর বাহিনীর কমান্ডার হন। বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থক।

বরগুনার আলো