• শনিবার ০৪ মে ২০২৪ ||

  • বৈশাখ ২১ ১৪৩১

  • || ২৪ শাওয়াল ১৪৪৫

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
থাইল্যান্ডের সঙ্গে অংশীদারত্বের নতুন যুগের সূচনা হয়েছে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে থাইল্যান্ড সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী ডিক্টেটর মিলিটারির পকেট থেকে বের হয়নি আওয়ামী লীগ দেশে এখন বেকারের সংখ্যা ৩ শতাংশ: প্রধানমন্ত্রী ‘বিলাসিতা একটু কমিয়ে শ্রমিকদের কল্যাণে নজর দিন’ চীন সফরে যাওয়ার আগে জুলাইয়ে ভারত সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী ছয় দিনের সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী হিট অ্যালার্টের মেয়াদ বাড়লো আরও ৩ দিন সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর: শেখ হাসিনা কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য ও সুরক্ষাবিধি নিশ্চিতে কাজ করতে হবে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ডের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে দেশ ও জনগণের উন্নয়নে কাজ করতে হবে: নেতাকর্মীদের প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধ অবশ্যই বন্ধ হওয়া উচিত : প্রধানমন্ত্রী থাইল্যান্ডে প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী আজ থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক সম্পর্ক জোরালো হয়েছে ঢাকা ও দোহার মধ্যে বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে কাতারের বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাতার আমিরের বৈঠক ঢাকা সফরে কাতারের আমির, হতে পারে ১১ চুক্তি-সমঝোতা

খেজুরের কাঁচা রসে নিপাহর সংক্রমণ, মৃত্যু ঝুঁকি শতভাগ

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯  

চলতি বছরের মার্চ মাসে ঠাকুরগাঁয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় অজ্ঞাত রোগে পাঁচ জনের মৃত্যু হয়। হঠাৎ এই মৃত্যুর পর পরীক্ষা চালিয়ে মৃত ব্যক্তিদের একজনের দেহে নিপাহ ভাইরাসের উপস্থিতি পায় সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। আইইডিসিআরের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, মৃতদের সবার জ্বর, মাথাব্যথা, বমি ও মস্তিস্কে ইনফেকশনের (এনসেফালাইটিস) উপসর্গ ছিল।

প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের কোনও ওষুধ না থাকায় সংক্রমণ ঠেকাতে সচেতনতার বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। চিকিৎসক ও গবেষকরা বলছেন, নিপাহ এমন একটি ভাইরাস যা পশু-পাখি থেকে মানুষে ছড়ায়। বাংলাদেশে নিপাহ ভাইরাস মূলত ছড়ায় বাদুড়ের মাধ্যমে। ডিসেম্বর থেকে এপ্রিলের মধ্যে নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি। এ সময়টাতে খেজুরের রস সংগ্রহ করা হয়, আর বাদুড় গাছে বাঁধা হাঁড়ি থেকে রস খাওয়ার চেষ্টা করে। পাশাপাশি বাদুড় হাঁড়িতে মল-মূত্র ত্যাগ করায় ও রসের সঙ্গে তাদের লালা মিশে যাওয়ায় ভাইরাস সংক্রমণের শঙ্কা থাকে। কাঁচা রস খেলে মানুষ নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয় এবং আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিতেও ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে।

গবেষকরা বলছেন, নিপাহ ভাইরাসের কোনও ওষুধ আবিষ্কার না হওয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যুর আশঙ্কা থাকে ৭০ থেকে ১০০ ভাগ। আর বেঁচে যাওয়া রোগীদের মধ্যে ১৫ থেকে ২০ ভাগ স্নায়বিক দুবর্লতায় ভুগতে থাকেন। তাই সচেতনতাই প্রতিরোধের একমাত্র উপায়।

শীতকালে খেজুরের কাঁচা রস পান করা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়ে আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, আমরা ২০০১ সাল থেকে বাংলাদেশে নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণের বিষয়ে সতর্ক করে আসছি। কিন্তু চলতি বছরেও খেজুরের রস উৎসব পালিত হচ্ছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যম মারফত জানতে পেরেছি।

তিনি আরও বলেন, এই রোগে আক্রান্ত হলে কোনও চিকিৎসা নেই। ২০০১ সাল থেকে এখন পর্যন্ত নিপাহতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হার শতকরা ৭০ ভাগ।

আইইডিসিআরের গবেষণা থেকে জানা যায়, শুধু রস পান করে নয় বরং ২০০১ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত আক্রান্ত রোগীদের প্রায় অর্ধেক আক্রান্ত হয়েছে রোগীদের সেবা করার সময়।

নিপাহর সংক্রমণ থেকে বাঁচতে সতর্ক ও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে অধ্যাপক ফ্লোরা বলেন, খেজুরের রস সংক্রান্ত যেকোনও আয়োজন থেকে বিরত থাকতে হবে। খেজুরের রস না খাওয়ার পাশাপাশি বাদুড়ের খাওয়া কোনও আংশিক ফল খেলেও আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এছাড়া আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে আসার পর সাবান ও পানি দিয়ে হাত ধোয়া এবং আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত সম্ভব সরকারি হাসপাতালে নেওয়ার কথা বলেছেন তিনি।

বরগুনার আলো