• বৃহস্পতিবার   ১৯ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৪ ১৪২৯

  • || ১৬ শাওয়াল ১৪৪৩

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
কক্সবাজার হবে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের রিফুয়েলিং পয়েন্ট কক্সবাজারে যত্রতত্র স্থাপনা নির্মাণ না করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে কউক’র নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুর টোল নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি আওয়ামী লীগ সরকার আছে বলেই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে- প্রধানমন্ত্রী ওপেনিংয়ে চতুর্থ সেরা জুটি গড়ে ফিরলেন জয়, তামিমের সেঞ্চুরি নিত্যপণ্যের দাম কেন চড়া, জানালেন প্রধানমন্ত্রী স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: শেখ হাসিনা দেশের মানুষের শেষ ভরসাস্থল শেখ হাসিনা বাঙালি জাতির নিরাপদ আশ্রয়স্থল শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ইতিহাসে মাইলফলক: রাষ্ট্রপতি চার দশকেরও বেশি সময় শেখ হাসিনার সফল নেতৃত্বে আ.লীগ উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি খাদ্য সাশ্রয় করুন: প্রধানমন্ত্রী সবাই স্বাধীনভাবে সরকারের সমালোচনা করতে পারে: প্রধানমন্ত্রী টাকা অপচয় করা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী ‌ঢাকায় বসে সমালোচনা না করে গ্রামে ঘুরে আসুন বঙ্গবন্ধুর নাম কেউ মুছে ফেলতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী আমিরাতের নতুন প্রেসিডেন্টকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন শেখ হাসিনাকে স্পেনের সরকার প্রধানের শুভেচ্ছা পি কে হালদার গ্রেফতার নানামুখী ষড়যন্ত্র হচ্ছে, সতর্ক থাকতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

প্রথম স্ট্রোকের ১০ বছরের মধ্যেই মৃত্যু!

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ২৫ এপ্রিল ২০২২  

দিন দিন স্ট্রোক করা রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশে মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ হলো স্ট্রোক। এমন সংকটাপন্ন অবস্থায় অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সমীক্ষা বলছে, প্রথমবার স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার ১০ বছরের মধ্যেই মৃত্যুবরণ করেন দুই-তৃতীয়াংশ রোগী।

মস্তিষ্কে যখন রক্ত সরবরাহ হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায় অথবা কোনো কারণে রক্তক্ষরণ শুরু হয়, তখন সেই পরিস্থিতিকে চিকিৎসা শাস্ত্রে বলা হচ্ছে স্ট্রোক। সাধারণত অনিয়ন্ত্রিত লাইফস্টাইলই স্ট্রোকের দিকে মানুষকে ঠেলে দিচ্ছে প্রতিনিয়ত।

বাংলাদেশের চিকিৎসাসেবার প্রধান ভরসা কেন্দ্র ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেই কোনো স্ট্রোক রোগীর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা বা আলাদা ইউনিট। এমন পরিস্থিতিতে অস্ট্রেলিয়ার নতুন এই গবেষণার তথ্য অনেকটাই সাধারণ জনগণের কাছে উদ্বেগের বিষয়।

অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক সমীক্ষার তথ্যানুযায়ী, প্রথমবার স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর মৃত্যুকে জয় করতে পারলেও ১০ বছরের মধ্যেই বেশির ভাগ রোগী মারা যান।

সমীক্ষাটি অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের প্রায় ৩ লাখ ১৩ হাজার রোগীর চিকিৎসার তথ্য খতিয়ে দেখার পর এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছান গবেষকরা।

এ সমীক্ষায় বিশেষজ্ঞরা আরও লক্ষ করেন, প্রতি ৫ জন রোগীর ১ জন ৫ বছরের মধ্যেই দ্বিতীয়বার স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। আর ১০ বছরের মধ্যে দ্বিতীয়বার স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা এ ক্ষেত্রে শতকরা ২৭ ভাগ।

স্ট্রোকে আক্রান্ত মোট রোগীর অর্ধেকেরও বেশি আক্রান্ত হয়েছেন ইসকেমিক স্ট্রোকে। মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহকারী ধমনিতে রক্ত চলাচলের প্রতিবন্ধকতা তৈরি হলে এ ধরনের স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায় বলে মত গবেষকদের।

সমীক্ষাটি থেকে আরও জানতে পারা যায়, প্রথম স্ট্রোকের ১০ বছরের মধ্যে নারীদের মৃত্যুহার পুরুষের তুলনায় বেশি।

গবেষকরা এর কারণ খুঁজতে শুরু করলে তারা জানতে পারেন, প্রয়োজনীয় চিকিৎসার অভাবে অসময়ে প্রাণ হারাচ্ছেন রোগীরা। তাই গবেষকরা মনে করছেন, প্রথমবার স্ট্রোকে আক্রান্ত হলেই জটিলতা এড়াতে নিয়মিত চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকা উচিত রোগীর।

এ ছাড়া খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন না আনার কারণেও এই বিপর্যয় ঘটছে বলে দাবি গবেষকদের। তবে বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন,  থ্রম্বোলাইসিস ও এন্ডোভাসকুলার চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে অনেকটাই কমানো যায় এ ঝুঁকি।

বরগুনার আলো