• শনিবার   ২১ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৭ ১৪২৯

  • || ১৮ শাওয়াল ১৪৪৩

বরগুনার আলো
ব্রেকিং:
রূপপুর মেটাবে বিদ্যুতের চাহিদা, দেবে লাভও দ্রব্যমূল্য নিয়ে ৩ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ৪ দফা প্রস্তাব পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিবেশবান্ধব: প্রধানমন্ত্রী খালেদাকে পদ্মায় ফেলতে আর ইউনূসকে চুবিয়ে তুলতে বললেন শেখ হাসিনা কক্সবাজার হবে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের রিফুয়েলিং পয়েন্ট কক্সবাজারে যত্রতত্র স্থাপনা নির্মাণ না করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে কউক’র নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুর টোল নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি আওয়ামী লীগ সরকার আছে বলেই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে- প্রধানমন্ত্রী ওপেনিংয়ে চতুর্থ সেরা জুটি গড়ে ফিরলেন জয়, তামিমের সেঞ্চুরি নিত্যপণ্যের দাম কেন চড়া, জানালেন প্রধানমন্ত্রী স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: শেখ হাসিনা দেশের মানুষের শেষ ভরসাস্থল শেখ হাসিনা বাঙালি জাতির নিরাপদ আশ্রয়স্থল শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ইতিহাসে মাইলফলক: রাষ্ট্রপতি চার দশকেরও বেশি সময় শেখ হাসিনার সফল নেতৃত্বে আ.লীগ উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি খাদ্য সাশ্রয় করুন: প্রধানমন্ত্রী সবাই স্বাধীনভাবে সরকারের সমালোচনা করতে পারে: প্রধানমন্ত্রী টাকা অপচয় করা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী ‌ঢাকায় বসে সমালোচনা না করে গ্রামে ঘুরে আসুন

তারেকের গোঁয়ার্তুমিতে বিলীনের পথে বিএনপি

বরগুনার আলো

প্রকাশিত: ২৪ জানুয়ারি ২০২২  

প্রতিপক্ষ দল আওয়ামী লীগের গোছানো রাজনীতি ও বিচক্ষণ সিদ্ধান্তের কাছে বরাবরই অপরিপক্বতার পরিচয় দিয়ে আসছে বিএনপি। তারেক রহমানের গোঁয়ার্তুমি, হঠকারিতা, প্রতিহিংসাপরায়ণতা এবং ক্রমাগত ভুল পদক্ষেপের কারণে রাজনীতিতে ক্রমশ বিলীন হতে বসেছে দলটি। 

বেশির ভাগ নেতাই মনে করেন, দলের এই দশার জন্য তারেক রহমানই দায়ী। তাই দল বাঁচাতে তারেক বিরোধী শক্তি সক্রিয় হয়ে উঠেছে বিএনপিতে।

বিএনপির রাজনৈতিক ইতিহাস বিশ্লেষণে দেখা যায়, রাষ্ট্রীয় মদদে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালানোর ফল হাতেনাতে পেয়ে ক্ষমতা থেকে ছিটকে গেছে বিএনপি। তবুও তাদের সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধ হয়নি।

২০১৪-১৫ সালে দেশজুড়ে হাজারো মানুষকে পেট্রোল বোমার আগুনে পুড়িয়ে মেরেছে বিএনপি ও তাদের দোসর জামায়াত। 

খালেদা জিয়া এবং তার ছেলে বিদেশে পলাতক তারেক রহমানের নির্দেশেই ঘটে এসব ঘটনা। বিএনপির একাধিক নেতাই তা অকপটে স্বীকারও করেছেন।

বিশেষ করে ২০০১-এ ক্ষমতায় এসে বিরোধীদল ও সংখ্যালঘুদের ওপর বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসীদের হামলা-নির্যাতন, গুম-খুন, মামলা দিয়ে যে দমন-নীতি গ্রহণ করেছিল, তা ছিল বিএনপির রাজনৈতিক অস্তিত্বের জন্য বড় হুমকি।

এছাড়া ২০০৪ সালে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে একইসঙ্গে খতম করে দেওয়ার জন্য চালানো হয়েছিল নৃশংস গ্রেনেড হামলা, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিএনপির ভাবমূর্তি পুরোপুরি নষ্ট করে দেয়। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাছে গ্রহণযোগ্যতা হারায় দলটি।

কানাডার আদালত কর্তৃক দুইবার দুটি ভিন্ন মামলায় বিএনপিকে সন্ত্রাসী দল হিসেবে সাব্যস্ত করে রায় ঘোষণা করা হয়েছিল।

এদিকে বিএনপির এক তরুণ নেতা পরিচয় গোপন রাখার শর্তে বলেন, দলের পক্ষে কাজ করা বাদ দিয়ে সিনিয়র নেতারা একে অপরকে টেনে নামানোর কাজে ব্যস্ত। এমন পরিস্থিতিতে বিএনপির রাজনীতি কোনদিকে মোড় নেবে তা জানেন না দলের সিনিয়র নেতারাও। 

ফলে বিএনপি পুনরায় ক্ষমতায় আসতে পারবে কিনা, তা নিয়ে নেতাকর্মীদের মনে সংশয় রয়েছে। আর আমি নিজেই দলের এমন অবস্থা দেখে হতাশ। কোনো কর্মসূচি না থাকায় তৃণমূল নেতাকর্মীরাও আমার মতো হতাশ। আর সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমানের কাজের সামঞ্জস্য নেই, মূল্যায়নও নেই। দল হলো এখন তারেকের টাকা কামানো আর ধান্দার জায়গা।

তাই দলের ভালোর জন্য এখন বিএনিপর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছাড়াও দলের কিছু প্রবীণ এবং শিক্ষিত তরুণ নেতা তারেক বিরোধী জোট গঠন করেছেন। এই জোটের নেতারা মনে করেন, দলকে সংগঠিত করার বদলে ক্রমাগত ভুলের কারণে রাজনীতিতে কোণঠাসা বিএনপি। সব দুর্বলতা দূর করে বিএনপি ঘুরে দাঁড়াতে না পারলে জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা হারাবে। এখানে বড় বাধা তারেকপন্থী নেতারা।

বরগুনার আলো